Bishnupur (বিষ্ণুপুর)

দক্ষিণবঙ্গের লালমাটির দেশ, একসময় মল্ল রাজাদের রাজধানী, মন্দিরনগরী বিষ্ণুপুর। মল্লরাজবংশের কীর্তি কলাপ, ললিত কলা, টেরাকোটায় সমৃদ্ধ প্রাচীন বাংলার নান্দনিক মন্দির স্থাপত্য বিষ্ণুপুরকে পর্যটন মানচিত্রে অনন্য করে তুলেছে। এখানকার মন্দিরের টেরাকোটায়, মানব-মানবী, সমাজ জীবন, ঘোড়া-পাল্কি-গরুর গাড়িতে যাত্রী, শিকার, পশু-পাখি, ফুল-লতাপাতা, রামায়ন-কৃষ্ণ লীলার কথা মূর্ত রয়েছে।

Bakkhali (বকখালি)

সৈকত জোড়া ঝাউবন, ম্যানগ্রোভ জঙ্গল, মকরবাহিনী গঙ্গা, বাঘ্রবাহিনী দেবী বিশালাক্ষী, নির্জন শান্ত সমুদ্রতীর এই নিয়েই চিরচেনা সমুদ্র সৈকত বকখালি। কোলকাতা থেকে ছোট্ট ছুটিতে ঘুরে আসার জন্য আদর্শ জায়গা। সাথে ২ কিমি দুরের মোহময়ই সাগরবেলা ফ্রেসারগঞ্জ।

Baranti (বড়ন্তি)

মহুয়া, শিশু, সেগুন গাছের জঙ্গল, গাড় সবুজ পাহাড়, পাশে অপরূপ লেক, বয়ে চলা ছোট্ট নদী – এই সব নিয়েই পুরুলিয়া জেলার সাঁওতাল অধ্যুষিত ছোট্ট গ্রাম বড়ন্তি, পর্যটন মানচিত্রে জনপ্রিয় নাম হয়ে উঠেছে।

Icchey Gaon (ইচ্ছেগাঁও)

পাহাড়ের বুকে গভীর অরণ্যে ঘেরা, ৫৮০০ ফুট উচ্চতায় কালিম্পং জেলার ছোট্ট গ্রাম ইচ্ছেগাঁও। মেঘহীন দিনে এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। রাতের বেলায় দেখা ইচ্ছেগাঁও সারাজীবন স্মৃতি হয়ে থাকবে।

Mandarmani (মন্দারমণি)

ক্ষণে ক্ষণে সমুদ্রের গর্জন, বীচ জুড়ে সফেন আঁকিবুঁকি, মন্দার গাছে ঘেরা, সপ্তাহান্তের ছোট্ট ছুটিতে বাঙালির প্রিয় গন্তব্য মন্দারমণি। চাঁদের আলোয় সৈকতের বালুকণা মণির মতো চিকচিক করে, নামও তাই মন্দারমণি।

Murti (মূর্তি)

আকাশছোঁয়া শাল, শিরিষ, শিমূল, সেগুন, রুদ্রাক্ষে ছাওয়া, পাহাড়-জঙ্গল-নদী এই তিনের সমন্বয়ে দূষণহীন শান্ত নির্জন গ্রাম মূর্তি। সাদা নুড়ি পাথরে ভরা এই মূর্তি নদীর একপাশে চা বাগান, অন্য পাড়ে গহীন অরণ্য।

sillery gaon

Sillery Gaon (সিলারিগাঁও)

বনের ধারে পাহাড়ের প্রান্তে ঝুলে থাকা বারান্দার মতো এক টুকরো উপত্যকায় প্রায় ৬৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত কালিম্পং জেলার জনপ্রিয় গ্রাম সিলারিগাঁও, যা নতুন দার্জিলিং নামেও পরিচিত। শহরের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির মাঝে একান্তে দিন যাপনের ঠিকানা সিলারিগাঁও।

Kalej Valley (কালিজ ভ্যালি)

দার্জিলিং শহরের কোলাহল থেকে দূরে, সবুজের মাঝে নিরিবিলি গ্রাম, কালিজ ভ্যালি। চা বাগানের পাশে এই ছোট্ট গ্রামে বেশিরভাগ কাঠের বাড়ি, ফুলবাগান। আর আছে ছায়াময় ঘন অরণ্য, নানা প্রজাতির পাখি।

Kalimpong (কালিম্পং)

ডেলো ও দুরপিন দারা – এই দুই পাহাড়ের মাঝে ফুল আর অর্কিডে ভরা শান্ত – স্নিগ্ধ – প্রশান্ত ও নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কালিম্পং। উত্তরে কাঞ্চনজঙ্ঘা, কাব্রু, পান্ডিম, সিম্ভু ও নানান শিখর, পশ্চিমে রঙ্গিত উপত্যকা, দক্ষিণে বাংলার সমতল, পুবে নিবিড় অরণ্যে ছাওয়া পর্বতমালা।

Tabakoshi (তাবাকোশী)

প্রায় ৩০০০ ফুট উচ্চতায়, রংবংখোলা নদীর পাশে অবস্থিত চা বাগানে ঘেরা এক সবুজ উপত্যকা তাবাকোশী। মিরিক শহর থেকে ৫ কিমি দূরের এই ছোট্ট গ্রামের পাশের ঢালু পাহাড়ে রংবাহারি পোশাক পরে টুকরি নিয়ে চা পাতা তুলতে ব্যস্থ মহিলারা, আর গ্রাম জুড়ে নানা রকমের ফুল আর অর্কিড।

lava

Lava (লাভা)

২১৯৫ মি উচ্চতায় অবস্থিত পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা মেঘপরীদের দেশ লাভা, পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়।

Jaldapara National Park (জলদাপাড়া অভয়ারণ্য)

একশৃঙ্গ গন্ডার, বুনো হাতি, গাঊর, চিতাবাঘের বিচরণকেন্দ্র জলদাপাড়া অভয়ারণ্য উত্তরবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে অন্যতম নাম। শাল, খয়ের, শিশু গাছে ভরা এই জঙ্গল তোর্সা, হলং, মালঙ্গি এর জলে পুষ্ট।

Jhandi (ঝান্ডি)

শাল পাইনে ছাওয়া শান্ত, ছোট অথচ সুন্দর গ্রাম ঝান্ডি। নিস্তব্ধ পরিবেশ, কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন, হিমালয়ের রংবেরং পাখি – এই নিয়েই ঝান্ডি উত্তরবঙ্গের নবতম পর্যটন কেন্দ্র।

Ajodhya Hill (অযোধ্যা পাহাড়, পুরুলিয়া)

প্রায় ২৩০০ ফুট উচ্চতায়, পুরুলিয়া জেলার ঝাড়খন্ড সীমান্তে দলমা পাহাড়ের অংশ অযোধ্যা পাহাড়, এর পূর্ব দুয়ার সিরকাবাদ ও পশ্চিমদুয়ার বাঘমুন্ডিতে।

Mirik (মিরিক)

পাহাড়ি ঝোরা, বর্ষার জলে পুষ্ট লেক, ঝাউবন, সু উচ্চ পর্বতমালা – এই নিয়েই সিঙ্গালিলা পাহাড়ের বুকে ১৭৬৭ মি উঁচুতে মনোরম আবহাওয়ায় ছোট্ট উপত্যকা মিরিক।

Gajoldoba (গাজলডোবা)

শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ, তিস্তা নদী, নদী ব্যারেজ, ফ্রেমজুড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা – এই স্ব নিয়েই, পাখি প্রেমীদের স্বর্গ রাজ্য উত্তরবঙ্গের স্বল্প পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র গাজলডোবা।

Darjeeling (দার্জিলিং)

সবুজ চায়ের বাগান, ঘুমভাঙ্গা সূর্যের চোখমেলা টাইগার হিল, মোহময়ী কাঞ্চনজঙ্ঘা, হেরিটেজ টয় ট্রেন, রডোডেনড্রন, পাইন, ম্যাল – এই সব নিয়েই ৭১০০ ফুট উচ্চতায় পাহাড়ের রানী দার্জিলিং বাঙালীর অতি পছন্দের পর্যটন কেন্দ্র।

Rikisum (রিকিসুম)

সবুজ পাহাড়, ধাপে ধাপে পাইন ও ধুপির অরণ্যের মাঝে উত্তরবঙ্গের অল্পচেনা ছোট্ট গ্রাম রিকিসুম। প্রায় ৬৩০০ ফুট উচ্চতায় নেপালি, রাই সম্প্রদায়ের মানুষের খানকয়েক ঘরবাড়ি, তার ওপর মাঝে মাঝে কুয়াশার আনাগোনা।

Mukutmanipur (মুকুটমণিপুর)

কুমারী ও কংসাবতি নদী বাঁধের তীরে, আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাস গাছের ছায়াতলে পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র মুকুটমনিপুর। বাঁধের রাস্তা বরাবর ৬ কিমি দূরে এই নদীর মিলনস্থল।

Chibo (ছিবো)

পাখি, মরশুমি ফুল, ক্যাকটাস আর কাঞ্চনজঙ্ঘা – এই নিয়েই দূষণহীন শান্ত সুন্দর মনোরম পাহাড়ি জনপদ ছিবো। প্রায় সাড়ে চার হাজার ফুট উচ্চতায় ধান, শাকসব্জির খেত, সবুজ পাহাড়, অরণ্য গ্রামটিকে রূপসী করে তুলেছে।

Palmajua (পালমাজুয়া)

প্রায় ৫৫০০ ফুট উচ্চতায় সিঙ্গালিলা ন্যাশনাল পার্কের অন্তরে প্রকৃতিপ্রেমিক ও পক্ষিপ্রেমীদের কাছে স্বর্গ, উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি গ্রাম পালমাজুয়া। গ্রামজুড়ে নেপালি রাই ও শেরপাদের ছোট্ট ছোট্ট গ্রাম্য বাড়ি ও জৈব খেত খামার।

WhatsApp chat